Showing posts with label গুগল অ্যাডসেন্স. Show all posts
Showing posts with label গুগল অ্যাডসেন্স. Show all posts

আজকে আপনাদেরকে বিশ্বের পরিচিত সেরা কিছু প্রতিষ্ঠানের কথা তুলে ধরব। তবে কিছুটা অন্যভাবে। সেইসব বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো নাম কিভাবে বাছাই করা হয়েছে, তা জানার আগ্রহ সবারই অনেক। আজকে সেই রকম কিছু তথ্য ইন্টারনেট থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করেছি। আশা করি পোস্টটি ভাল লাগবে।

অ্যাডোবি

লোগোটা দেখে কোম্পানীটাকে মনে হয় চিনতে কারো সমস্যা হওয়ার কথা না। গ্রাফিকস দুনিয়ার সেরা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান, অ্যাডোব, যাদের সফটওয়্যার অ্যাডোব ফটোশপ, অ্যাডোব ইল্যাস্ট্রেটর গ্রাফিকস কাজে সবচাইতে বেশি ব্যবহৃত সফটওয়্যার। ক্যালিফোর্নিয়ার লস আন্টোসে অবস্থিত অ্যাডোবি নামের একটি খাঁড়ির নামে কোম্পানির নাম অ্যাডোবি সিস্টেমস রাখা হয়। এই খাঁড়িটি অ্যাডোবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন ওয়ারনক বাড়ির পেছন দিয়ে প্রবাহিত হয়।

অ্যামাজন

অ্যামাজন হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন রিটেইলার। জেফ বেজস তার কোম্পানির জন্য এমন একটি নাম রাখতে চাচ্ছিলেন যা A দিয়ে শুরু হবে। তিনি ডিকশেনারি নিয়ে নাম খোজা শুরু করলেন এবং অ্যামাজন নামটি ঠিক করলেন, যা একটি নদীর নাম এবং এটিকে মনে করা হত সেই সময় সবচেয়ে বড় নদী। তিনি চাচ্ছিলেন অদূর ভবিষতে তার কোম্পানি অ্যামাজনের মতই বড় হবে। তার স্বপ্ন পূরন হয়েছে বলাই যায়। অনেকে অ্যামাজন নামে যে একটা নদী আছে তা হয়ত জানেনা। কিন্তু অ্যামাজন ডট কমের নাম ঠিকই জানে।

ক্যানন

লোগোটা চিনেছেনতো? ক্যানন হচ্ছে ইলেকট্রনিক, অপটিক্যাল, কনজুমার ইত্যাদি তৈরির জন্য জাপানি বহুজাতিক কোম্পানি। কোম্পানির প্রথম ক্যামেরার নাম ছিলো কাওয়ানন- যা থেকে কোম্পানিটির নামকরন করা হয়। ১৯৩৫ সালে জাপানিজ এই দাঁতভাঙ্গা নামটাকে ক্যানন নাম দিয়ে একটু ভদ্রস্থ করা হয়।

কোকাকোলা


এ কোমল পানীয়র নাম জানেননা, এরকম মানুষ গ্রামে-গঞ্জে গেলেও পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। কোকা-কোলা সংক্ষেপে কোক (Coke) নামে পরিচিত এটি বিশ্বে অন্যতম বড় একটি কোমলপানীয় বিক্রেতা প্রতিষ্টান। কোকা-কোলা নামটি এসেছে কোকা পাতা এবং কোলা বাদাম থেকে যা সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। কোলাকে ইংরেজিতে K দিয়ে লেখা হলেও সৌন্দর্যে কথা চিন্তা করে তারা C দিয়ে লেখে।

আই বি এম

বিশ্বের সবচাইতে বৃহত্তম কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো একটি হচ্ছে আই বি এম  যা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। ১৯১১ সালে আইবিএম প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি এর পূর্ণ নাম থেকে এসেছে। এ কোম্পানীর পূর্ণ নামঃ IBM, পূর্ণরূপ: International Business Machines Corporation

ইন্টেল

পিসি কিনতে গেলেই আমরা দোকানে গিয়ে বলি যাতে ইন্টেলের প্রসেসর দেয়। বেশীরভাগ মানুষ এটাই ব্যবহার করে। ইন্টিগ্রেটেড ইলেকট্রনিক্সের সংক্ষিপ্ত রুপ হলো ইন্টেল।

নাইকি


নাইকি ইনকর্পোরেশন বিশ্বব্যাপী খেলাধুলার সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। এর সদর-দফতর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। গ্রীক বিজয়ের দেবী নাইকির নামানুসারে নামকরন করা হয়।

নাইকন

ক্যামেরার ব্রান্ড হিসেবে বহুল পরিচিত ব্রান্ড নাম, নাইকন। নাইকন বা নিকন কর্পোরেশন একটি বৃহৎ জাপানি অপটিকস ও ইমেজিং কোম্পানি। নিপ্পন কোগাকু শব্দের সংক্ষিপ্তরুপ হচ্ছে নাইকন- যার মানে হচ্ছে জাপানিজ অপটিক্যাল।

নিশান

জাপানিজ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। যার পুর্বনাম ছিল নিপ্পন স্যাংগুয়ো মানে জাপানিজ ইন্ডাস্ট্রিজ।

নোকিয়া


একটা সময় ছিল মোবাইল বলতে মানুষ কেবল নোকিয়াকেই বুঝত। এমনকি অনেক ব্লগারেরই দেখা যাবে প্রথম ফোনটি ছিল নোকিয়ার (আমারও) কিন্তু ফিনল্যান্ডভিত্তিক এই কোম্পানীটি তার আগের ববস্থান হারিয়ে ফেলেছে, তাদের নিজেরদেরই কিছু গুয়ার্তুমির কারনে।
ফিনল্যান্ডের নোকিয়া শহরের নামে তাদের নামকরন করা হয়। জানেন প্রথমে কি ব্যবসা করত এই নোকিয়া? উড-পাল্প মিল দিয়ে তাদের মিশন শুরু হয়।

পেপসি


কয়দিন আগেও ফেইসবুকের হোমপেইজে ঘুরত একটি সাবধানবাণী। মুসলমান হিসেবে আমাদের পেপসি খাওয়া উচিত না। কারন পেপসি মানে – “Pay Each To Save Israel”।
কিন্তু পেপসি শব্দটি এসেছে, পেপসিন নামক এনজাইম থেকে-যা হজমে সাহায্য করে। (আমারে কেউ ইজরায়েলের দালাল ভাইব্বেনা) পেপসির পুর্ন নাম “Popular Electronic Production Services Industry” ।

স্কাইপ


স্কাইপ কী, এটার কাজ কী?? এটা খায় না পরে??? আমি বলব কেন???? আপনারাই আমার থেকে ভালো জানেন!!! কত কেলেংকারি এটা নিয়ে, একজন সম্পাদক এখনও জেলে আছেন।২০০৩ সালে ডেনমার্কের ধমিজা, জানুজ ফ্রিজ এবং সুইডেনের নিকলাস জেনস্ট্রম স্কাইপ প্রতিষ্ঠা করেন। আদি নাম ছিল স্কাইপার যেটি এসেছে স্কাই-পিয়ার-টু-পিয়ার থেকে। অনেকে একে স্কাইপি বলে, কিন্তু আসল নাম হচ্ছে স্কাইপ।

রিবক


ব্রিটেনভিত্তিক জুতা, কাপড় ও খেলার সামগ্রী প্রস্তুতকারক। রিবক নামটি এসেছে আফ্রিকান রেহবক শব্দ থেকে। যা একজাতীয় কালো হরিণ।

সনি


রংগিন টিভি মানেই সনি!! কি ভুল বললাম? সনি কর্পোরেশন জাপানী ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী নির্মাতা। ল্যাটিন শব্দ সুনাউ থেকে সনি শব্দটি এসেছে যার মানে হচ্ছে শব্দ (সাউন্ড)।

ভার্জিন


আরেকটি কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি শুরু করার সময় একটি মেয়ে বলে, ভার্জিন নাম দিলে কেমন হয়? যেহেতু ব্যবসা ক্ষেত্রে আমরাও ভার্জিন।

ভোডাফোন


হায় হায়, আমি তো জানতাম এটা দাদাদের দেশের কোম্পানি। এটা তো আসলে ইংল্যান্ডের। ভয়েস, ডাটা, টেলিফোন থেকে এসেছে ভোডাফোন শব্দটি।

ভক্সওয়াগন


জার্মানীর অটোমোবাইল কোম্পানি। অবশ্য জার্মানীরা উচ্চারন করে ফক্সওয়াগন। যার মানে হচ্ছে গাড়িতে জনতা।
পরের পর্বে আরো কিছু ভাল কোম্পানীর নামের নামকরণ কিভাবে এসেছে, তা জানাব। পোস্টটি কেমন লাগল কমেন্টে জানাবেন এবং আশা করি সবার সাথে শেয়ার করবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের প্রথম সারির ১০ কৌশল
ব্লগ থেকে আয়ের অন্যতম মাধ্যম হলো গুগল অ্যাডসেন্স। বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ ওয়েব মাস্টার অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সফল এবং আয়ের পরিমান ভালো। তাদের সফলতার পেছনে রয়েছে বেশি কিছু কৌশল। এ ক্ষেত্রে সফলরা গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাদের মতে, এগুলো মানলে  ভালো আয় করা সম্ভব। গুগল অ্যাডসেন্সের আয় বাড়াতে এমনই কিছু বিষয় নিয়ে এ প্রতিবেদন। এগুলো মেনে চললে একদিকে আয়ের পরিমান যেমন বাড়বে, তেমনি অ্যাডসেন্স বাতিল হওয়ারও সম্ভবনা কমে যাবে। কারণ অ্যাডসেন্স বাতিল হওয়ার বিষয়টিও পাবলিশারদের ভাবিয়ে তোলে। 

১. এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট করবেন, যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ এবং খুব ভালো জানাশোনা রয়েছে।
২. রাজস্ব বাড়াতে একাধিক ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করুন, প্রতি সাইটে একটি নিশ (নির্দিষ্ট বিষয়) নিয়ে লিখুন।
৩. গুগল চায় ভালো মানের ইউনিক কনটেন্ট, যা সার্চে ভালো পজিশনে থাকবে। তাই বিষয়টিতে নজর দিতে হবে। 
৪. গুগল সাপোর্ট করে না এমন সব ভাষায় লেখা সাইটে অ্যাড বসানো থেকে বিরত থাকুন। (যেমন, বাংলা ভাষার সাইটে অ্যাড বসাবেন না। যদিও শিগগির বাংলা সাইট গুগল অ্যাডসেন্স সমর্থন করবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি চালু না হওয়া পর্যন্ত বাংলা সাইটে অ্যাডসেন্স ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।) 

৫. হাই পেয়িং কিওয়ার্ড টার্গেট না করে, ব্লগে কোয়ালিটি কনটেন্টের দিকে জোর দিন। কিওয়ার্ড টার্গেট করে ও কনটেন্ট ডেভেলপ করে নিয়মিত সাইটকে আপডেট রাখার চেষ্টা করুন। 
৬. অ্যাডের কোড পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না। যদি পরিবর্তন করতেই হয়, তাহলে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট থেকে পরিবর্তন করুন। 
৭. ছবির সঙ্গে বা পাশাপাশি গুগলের অ্যাড কখনই বসাবেন না। এতে ভিজিটর বিভ্রান্তিতে পড়ে আর এটা গুগল কখনো সাপোর্ট করে না, যা অ্যাডসেন্স ব্যান হওয়ার কারণ হতে পারে। 
৮. সাইটের সঙ্গে মানানসইভাবে অ্যাড বসান। ভিসিটরকে বিভিন্ন লেখার (Click here, Click this) মাধ্যমে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে অনুপ্রাণিত করবেন না। 
৯. নিয়মিত আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ভালভাবে চেক করবেন। হঠাৎ করে কেন আপনার ব্লগে ক্লিক বেড়ে গেল তা চেক করবেন। অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে সাথে সাথে সেটি অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষকে জানান। আর তখন আপনার অ্যাকাউন্টটি নিরাপদ থাকবে। 
১০. অ্যাডসেন্স সচল থাকা স্বত্ত্বেও আরেকটি অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করবেন না। এতে বর্তমান অ্যাকাউন্টটি নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। কেননা গুগল কখনও মাল্টি অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি দেয় না।