Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
ই কমার্স ওয়েবসাইট ডিজাইন
ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বা ই-বানিজ্য একটি বানিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওইয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/ বিক্রয় হয়ে থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বানিজ্য কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ই-কমার্স ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয়টা পাচ্ছে।
দুনিয়া ব্যাপী ই কমার্স ভিত্তিক ব্যাবশা ক্রমেই বাড়ছে । সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেনের বাড়ার কারণে এ অর্থনীতির গতি ও আকার বড় হচ্ছে । অনলাইনে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডপে তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে, জানায় বিজনেস টেকে । ২০১২ সালে বৈশ্বিক ই-কমার্স বাজারের আকার ছিল ১৭০ কোটি ডলারের। ওয়ার্ল্ডপের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অনলাইনে পণ্য ও সেবা কেনার জন্য ব্যাংকনির্ভর যে কার্ডসেবা (ডেবিট-ক্রেডিট) প্রচলিত রয়েছে, ২০১৭ সালে তার বিকল্প কিছু পদ্ধতিতে ই-কমার্স বাজারের ৫৯ শতাংশ লেনদেনই সম্পন্ন হবে। ওয়ার্ল্ডপের মতে, বিকল্প লেনদেন পদ্ধতিগুলো হবে, অনলাইন (রিয়েল-টাইম) ব্যাংক ট্রান্সফার, ডিরেক্ট ডেবিট, ই-ওয়ালেট ও মোবাইল।
বাংলাদেশে ই-কমার্সবর্তমান অবস্থায় নিজের ব্যাবশাইক অবস্থান ধরে রাখার জন্য ই-কমার্স ছাড়া আধুনিক কন অপশন নেই বললে ভুল হবে না । ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসাকে নিমেষই ছড়িয়ে দিতে পারেন সারা দুনিয়ায় । বলা হয়ে থাকে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য এক সময় ই-কমার্সের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে ই-কমার্সের ব্যবহার। বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রভাব হয়তো এখনো পুরোপুরি পড়েনি। তারপরও বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যবসাই এখনো প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের উচিত দ্রুত এ প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটিয়ে সবাইকে ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসা। অন্যথায় বিশ্ববাজারে বাজার হারাবে বাংলাদেশ । বাংলাদেশের গার্মেন্টসশিল্পসহ বেশকিছু পণ্য এখনো বিশ্ববাজারে খুবই সমাদৃত । একে পুরোপুরি ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন, না হলে বিশ্ববাজারে নিজ অবস্থানে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। ই-কমার্সের আওতায় সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য চালালে বাইরের দেশের লোকেরা খুব সহজে আমাদের নিজেদের দেশের পণ্যের সঙ্গে অন্যান্য দেশের তুলনা করতে পারবে এবং অপেক্ষাকৃত সস্তা বলে আমাদের দেশের পণ্যের বাজারজাত আরও বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া আমাদের দেশে স্থানীয় বাজারের জন্য ই-কমার্সের ব্যাপক প্রচলন প্রয়োজন। এতে খুব সহজে ঘরে বসে বিস্তর বিবেচনা করে সবকিছু কেনাকাটা করতে পারব। সর্বোপরি ই-কমার্সের প্রচলন করার জন্য সরকারি এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই বাস্তবায়িত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পরতে এখানে ক্লিক করুন 

ফটোগ্রাফিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ !
এই মুহুর্তে দেশের অন্যতম সেরা ক্রেজ হলো ফটোগ্রাফি। তরুন প্রজন্ম ঝুকছে ফটোগ্রাফির নেশায়। সহজলভ্য ক্যামেরা এবং সৃজনশীলতা বাংলাদেশের ফটোগ্রাফিকে দিয়েছে এক অন্যরকম রুপ। আগে বিদেশী ফটোগ্রাফারদের তোলা ছবি দেখেই দিন কাটিয়ে দিতে হতো কিন্তু এখন দেশীয় ফটোগ্রাফারের ছবিতে পরিপুনর্ থাকে সামাজিক নেটওয়ার্ক। আর বাংলাদেশেরই অনেক ফটোগ্রাফার ইতিমধ্যে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এগুলো সবই ভাল দিক। আর ফটোগ্রাফি হতে পারে নিজের সৃজনশীলতা প্রকাশের একটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম। আর এই ফটোগ্রাফিকে করা যেতে পারে অনেক বড় একটি পেশা। আর অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করেছেন অনেকেই আজকাল নির্দ্দ্বিধায় ফটোগ্রাফিকে বেছে নিচ্ছে নিজের পেশা হিসেবে।

তবে পরিপক্কভাবে যদি ফটোগ্রাফিকে একমাত্র পেশা হিসেবে বেছে নেয়া হয় তবে এই ব্যাপারে কিছু জ্ঞান থাকার মুল্য অপরিসীম। বাংলাদেশে এর মধ্যেই ফটোগ্রাফি নিয়ে খুলে গিয়েছে অপার সম্ভাবনার দ্বার। ফ্যাশন ফটোগ্রাফি, ওয়েডিং ফটোগ্রাফি, স্ট্রিট ফটোগ্রাফি, ফটো স্টোরি – এগুলো ফটোগ্রাফির কিছু রুপ মাত্র। প্রতিনিয়ত হচ্ছে নানা রকমের এক্সিবিশন আর নানা রকম প্রতিযোগিতা। এমনকি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়ও কোনভাবে পিছিয়ে নেই আমাদের দেশের ফটোগ্রাফিরা আর তার জন্য তাদের যেতে হচ্ছে দেশের বাইরে। আমাদের দেশের ছবি নিয়ে আসছে বড় বড় সব পুরস্কার। আর ইন্টারনেটের এই যুগে আন্তর্জাতিক এসব ফটোগ্রাফিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করা কোন ব্যাপারই না। ন্যাশনাল জিওগ্রাফী বা 500px এর মত নামকরা সংস্থাগুলো প্রতিনিয়ত আয়োজন করে যাচ্ছে নানা রকম প্রতিযোগিতার আর এসব প্রতিযোগিতায় অনলাইনেই অংশগ্রহন করা যায় এবং বেশীরভাগ সময়ে কোন ধরনের খরচ হয় না। সেই সাথে পালা দিয়ে দেশেও হচ্ছে নানা রকম ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা। নানা বড় বড় প্রতিষ্ঠান ইদানীং স্পন্সর করতে রাজী হচ্ছে নানা রকমের এক্সিবিশন আর প্রতিযোগিতা।
ফটোগ্রাফি ব্যাপারটাই হলো পুরোটা নিজের উপর বিশেষ করে নিজস্ব সৃজনশীলতার উপরে। একটা ক্যামেরা আর দেখার মত এক জোড়া চোখ – ফটোগ্রাফিতে আর তেমন কিছুই দরকার হয় না। ফ্রেমিং ব্যাপারটাই আসলে মুল জিনিষ এই ফটোগ্রাফিতে। ফ্রেমিং এর পরে আসে লাইটিং, সাবজেক্ট, ফটো স্টোরি ইত্যাদি। আমার মতে প্রতিটি ছবির থাকা উচিত একটা আলাদা গল্প।

ফটোগ্রাফি যখন পেশাঃ

ফটোগ্রাফি কিভাবে আপনার পেশা হতে পারে? অনেক ধরনের পেশাই হতে পারে একটি ক্যামেরা হাতে নিয়ে। তবে সাথে থাকতে হবে পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা। যেমন ওয়েডিং ফটোগ্রাফি এই মুহুর্তে বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় একটি পেশায় পরিণত হচ্ছে। আর এই ওয়েডিং ফটোগ্রাফি করে শুরুতে মাসে ২৫-৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে একটি পর্যায়ে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা খুব একটা কঠিন ব্যাপার হবে না। যদি ফটোগ্রাফিক স্কিল ভাল থাকে আর নিজের সুনাম বজায় রাখতে পারেন তাহলে অচিরেই পৌছে যেতে পারেন সেই লক্ষ্যে।

ওয়েডিং ফটোগ্রাফির পরে আসে ফটো জার্নালিজম আর থিম ফটোগ্রাফি। এরপর আসতে পারে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি। এমনকি অনলাইনে নিজের তোলা অসাধারন ছবিগুলো বিক্রি করা যায় অনায়াসেই। একটি ইউনিক ছবি সবারই পছন্দ আর ইন্টারনেটের বদৌলতে আপনার তোলা অসাধারন সব ছবি অনায়াসেই পৌছে যায় মানুষের কাছে। অনেক ওয়েবসাইট বাধাই করে এসব ছবি বিক্রি করে নানা ক্রেতার কাছে বেশ ভাল দামে। ফটোগ্রাফারদের উচিত বেশী করে আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফিক প্রতিযোগিতাগুলোতে অংশগ্রহন করা। আর সবাই করছেও। কয়েকটি ভাল এক্সপোজিউর থাকলে এই পেশায় সাফল্যের শিখরে পৌছে যাওয়া কোন ব্যাপারই না।

এসবের পরেই আসে ফ্যাশন ফটোগ্রাফি এবং প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি। ফ্যাশন ফটোগ্রাফির কথা আর না বললেও চলবে কারন আপনারা ইতিমধ্যে সবই জানেন আর প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি হলো নানা রকম পন্যের ফটোগ্রাফি। সেটি কোন প্রতিষ্ঠানের পন্যের হতে শুরু করে অনলাইন শপ এর পন্যের জন্য হতে পারে কোন ছবি। নতুন নতুন পন্য গুলো সবচেয়ে ভাল অবস্থায় সবার সামনে তুলে ধরাই প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি। এগুলোর পরেও আরো থাকে ইভেন্ট ফটোগ্রাফি এবং অন্যান্য। মোট কথা এই পেশার বিশালত্ব অনেক বড়। কিন্তু তার জন্য থাকতে হবে বিশেষ কিছু জ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ডিগ্রীর দরকার না থাকলেও কিছু বেসিক ব্যাপার থাকে যেগুলো না জানলেই নয়। টেকনিক্যাল এসব ব্যাপার যদি ঠিক মত জানা থাকে আর সেই সাথে যতি অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে কিছু টিপস পাওয়া যায়, তাহলে আপনিও হয়ে উঠ্তে পারেন একজন পাকাপোক্ত ফটোগ্রাফার।

সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রায় ২৫ হাজার ওয়েবসাইটের সমন্বয়ে ‘বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন’ ওয়েবপোর্টাল উদ্বোধন করা হবে আগামীকাল সোমবার। আর এটিই হতে যাচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ওয়েবপোর্টাল।

রোববার বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্প উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যমের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়। এ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকেরা মতামত তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ডটগভ ডটবিডি (www.bangladesh.gov.bd) নামের এই ওয়েবসাইটে দেশের সব ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ, অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয়সহ সব সরকারি দপ্তরের প্রায় পঁচিশ হাজার ওয়েবসাইট সংযুক্ত করা হয়েছে। এই পোর্টালের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্প।

অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের পরিচালক কবির বিন আনোয়ার বলেন, ‘সরকারি সকল দপ্তরে পোর্টাল চালু হলে জনগণের তথ্য ও সেবা প্রাপ্তি আরো সহজ হয়ে উঠবে। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি এই ওয়েবপোর্টালটি বিশ্বে সর্ববৃহৎ। কারণ এখানে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৪৫টি অধিদপ্তর, বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নসহ মোট ২৫ হাজার ওয়েবসাইট নিয়ে গঠিত।’

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, আড়াই বছর সময় লেগেছে এই ওয়েবপোর্টালের তথ্য সংগ্রহ করতে। দুর্নীতি কমিয়ে জনসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য এ ধরনের ওয়েবপোর্টাল করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়নের পরিকল্পনা, নকশা ও উন্নয়নে কাজ করেছেন আনির চৌধুরী, মোহাম্মাদ আব্দুল মান্নান, ড. আব্দুল মান্নান, তানজিয়া সালমা, আরফে এলাহি মানিক, মো. দৌলতুজ্জামান খান, আসিফ আনোয়ার, হাসানুজ্জামান, মো. আমিনুল ইসলাম সরকার শামীম, মো. নাহিদ আলম এবং পুষ্পিতা সাহা। কারিগরি সহায়তা দিয়েছেন মহিউদ্দিন মাসুদ, মো. আমিনুল ইসলাম সরকার শামীম।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন- প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্যসচিব মর্তুজা আহমদ, সাংবাদিক রাহাত খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি হাবিবুর রহমান মিলন প্রমুখ।
মেসি বাংলাদেশে সবচেয়ে বেসি জনপ্রিয়!
মেসি বাংলাদেশে সবচেয়ে বেসি জনপ্রিয়!

বাঙালি খেলা পাগল! সেটা ক্রিটেক হোক আর ফুটবল হোক। বিশ্বকাপ ফুটবল হলে তো কোন কথাই নেই। অফিস আদালত কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কাজ সবকিছুকেই ছুটি দিতে কোন কার্পণ্য নেই এই বাঙালির।

ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল দু’ভাগে বিভক্ত বললে বড় ধরনের কোনো ভুল হবে না। এ দেশের সমর্থকরা এখন আর্জেন্টিনার মূল ভরসা মনে করেন লিওনাল মেসিকে আর ব্রাজিলের সমর্থকরা নেইমারকে।

তবে অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশিরা হয়ত একটু বেশিই মেসির জন্য প্রার্থনা করছেন। কারণ এদেশে মেসি ভক্তের সংখ্যা সারাবিশ্বের চেয়ে বেশি। এমনকি মেসির দেশ আর্জেন্টিনার চেয়েও বেশি।

ফেসবুক ফ্যান ম্যাপ অনুসারে, মেসির ভক্তের সংখ্যা আর্জেন্টিনার চেয়েও বাংলাদেশে বেশি। শুধুমাত্র বিশ্বকাপ সময়ের জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ‘ফেসবুক ফ্যান ম্যাপ’ অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে। এখানে মেসির বাংলাদেশে ৠাঙ্ক নাম্বার ওয়ান। কারণ বাংলাদেশ থেকেই মেসির পক্ষে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে।

বর্তমানে সারাবিশ্বে মেসি ভক্তের সংখ্যা ৫ কোটি ৮৮ লাখের বেশি।

যদিও বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে না তারপরও বিশ্বকাপ নিয়ে এদেশে উচ্ছ্বাস অংশগ্রহণকারী দেশেল তুলনায় কোনো অংশেই কম নয়। এদের মধ্যে আর্জেন্টিনা শীর্ষে।

২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচ খেলার জন্য ঢাকায় আসলে মেসির জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যায় এদেশে।

ফেসবুক ফ্যান পেজে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ভক্ত রয়েছে পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোর। তার বিশ্বব্যাপী ভক্তের সংখ্যা ৮ কোটি ৬৩ লাখের বেশি।
ব্রাজিল বিশ্বকাপে ২০১৪ -এ বাংলাদেশের আয় ৫০ কোটি ডলার !
ব্রাজিল বিশ্বকাপে ২০১৪ -এ বাংলাদেশের আয় ৫০ কোটি ডলার ! 
বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আসর জমতে আর মাত্র ক’দিন বাকি। সুদূর ব্রাজিলে খেলাটি হলেও লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে না বাংলাদেশ।বিশ্বকাপের আনন্দের জোয়ারে ভাসবে বাংলাদেশ। কেবল পতাকা উড়িয়ে প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেই নয়, এই টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশ আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিভিন্ন দেশের জার্সি বানিয়ে অন্তত ৫০ কোটি ডলার আয় করেছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান মোহাম্মদ হাতেম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, বিশ্বকাপের জার্সি রপ্তানিতে চলতি বছর তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ১৪ শতাংশ হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রায় ১০০টি কারখানা বিশ্বকাপ ফ্যানদের জার্সি তৈরি করছেন। বিশ্বকাপ-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য ঠিক কত হচ্ছে তা হয়তো বলা যাচ্ছে না। তবে এই পরিমাণ ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি ডলার হতে পারে।

হাতেম বলেন, চলতি মাসে শেষ হওয়া অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি রেকর্ড ২৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। গত বছরের তুলনায় তা ৩০০ কোটি ডলার বেশি। এর একটা বড় অংশই এসেছে বিশ্বকাপ বাণিজ্য থেকে।তিনি জানান, বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে পুমা ও অ্যাডিডাসের মতো বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রতিষ্ঠানের পোশাক তৈরি হয়। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৩২টি দেশের প্রায় সবগুলোর ফ্যানদের জন্য জার্সি তৈরি করা হয়েছে।

চীনের পর বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। এ খাত থেকে দেশের ৮০ ভাগ বার্ষিক রপ্তানি হয়ে থাকে। এ শিল্পে নিয়োজিত আছেন ৪০ লাখের বেশি লোক।

হাতেম বলেন, আমার কারখানাতেই কেবল জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালের মতো দেশের আড়াই লাখ জার্সি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের অন্য একটি কারখানায় ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও চিলির মতো দেশের জার্সি তৈরির জন্য পুমার কাছ থেকে ৩০ কোটি ডলারের অর্ডার পেয়েছে। অনেক কারখানায় বিভিন্ন দেশের ক্যাপ ও পতাকাও তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশে ৮ হাজার কোটি টাকা পুরছে প্রতি বছর !
বাংলাদেশে ৮ হাজার কোটি টাকা পুরছে প্রতি বছর ! 
টাকশাল থেকে জন্ম নিয়া টাকার পরিণতি কী? লক্ষ লোকের হাত ঘুরে ছেঁড়া-ফাঁটা অবস্থায় সে পৌঁছায় সারাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভাগীয় শাখায়। সেখানেই সে তার পরিণতিতে পর্যবশিত হয়। পোড়ান হয় তাকে। বাজারে তার স্থানে আসে আবারো টাকশাল থেকে জন্ম নেওয়া নতুন নোট। বছরে কী পরিমাণ টাকা এভাবে পোড়ানো হয়? প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা! চোখ কপালে তোলার মতো অঙ্ক।

দৈনিক মানবজমিনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত এক বছরে ছেঁড়া, ফাটা, পোড়া, রঙ দেয়া, পোকায় খাওয়া, ময়লাযুক্তসহ পুরনো বাতিল টাকা পোড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৭১ কোটি ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার ৪০ টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পোড়ানো হয়েছে ৫ টাকা, ১০ টাকা ও ২০ টাকার নোট। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারেন্সি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পোড়ানো এ টাকার মধ্যে ৫ টাকার নোট সংখ্যা ১৯ কোটি ৯৩ লাখ ২২ হাজার ৭০টি, ১০ টাকার নোট ২০ কোটি ৩১ লাখ ৩৩ হাজার ২৮টি, ২০ টাকার নোট ৪৫ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ৩৩টি, ৫০ টাকার নোট ৬৫ কোটি ৩৮ লাখ ১,৪৪৫টি, ১০০ টাকার নোট ১৫ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার ৫১৯টি, ৫০০ টাকার নোট ৮ কোটি ৬১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৩২টি এবং ১০০০ টাকার নোট রয়েছে ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ৪৬৬টি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, টাকার অঙ্কে ৫ টাকার নোটের মূল্যমান ৯৯ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার ৩৫০ টাকা, ১০ টাকার নোটের মূল্যমান ২০৩ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার ২৮০ টাকা, ২০ টাকার নোটের মূল্যমান ৯১ কোটি ২৮ লাখ ২০ হাজার ৬৬০ টাকা, ৫০ টাকার নোটের মূল্যমান ৩২৬ কোটি ৯০ লাখ ৭২ হাজার ২৫০ টাকা, ১০০ টাকার নোটের মূল্যমান ১ হাজার ৫৬৬ কোটি ৭৯ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা, ৫০০ টাকার নোটের মূল্যমানের ৪ হাজার ৩০৭ কোটি ৯৯ লাখ ১৬ হাজার, এক হাজার টাকার মূল্যমানের ৪৭৬ কোটি ২৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। এই ৭ প্রকার মুদ্রার মোট নোটের সংখ্যা ৭৬ কোটি ১০ লাখ ৫৯ হাজার ৪২৩টি। পর্যালোচনায় দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি টাকা ব্যবহারের দিক দিয়ে নষ্ট হয়েছে ৫ টাকা, ১০ টাকা ও ২০ টাকা এবং ৫০ টাকার নোট।

পত্রিকাটি জানায়, সারা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভাগীয় প্রতিটি শাখায় ছেঁড়া, ফাটা, পোড়া, রঙ দেয়া ও বাতিল টাকা পোড়ানো হয়। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিদিন ছেঁড়া বাতিল টাকা পোড়ানো হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারেন্সি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জোয়ারদার ইসরাইল হোসেন জানান, প্রতিদিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ছেঁড়া, ফাটা ও পোড়া বাতিল টাকা পোড়ানো হচ্ছে। বিভাগীয় ব্যাংকের পোড়ানো টাকার হিসাব কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা হয়। ছেঁড়া টাকা পোড়ানোর ফলে সরবরাহে কোন প্রভাব পড়ে কিনা এবং কিভাবে তা পূরণ করা হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজারের চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে নতুন টাকা ছাপানো হয়। নতুন টাকা দিয়ে কারেন্সি সচল রাখা হয়। টাকা পোড়ানোর ফলে বাজারে কোন প্রভাব পড়ে না। পোড়ানো টাকার জন্য আলাদাভাবে কোন টাকা ছাপানোর প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে দেখা হয় বাজারে কত টাকা ছিল, কত আছে আর চাহিদা কত? এসব কিছুর প্রতি নজর রেখে টাকা ছাপানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারেন্সি বিভাগের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও বর্তমানে মতিঝিল অফিসের মহাব্যবস্থাপক মো. সাইফুল ইসলাম ইসলাম খান জানান, ব্যাংকে এসব টাকা আসার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগে গণনা ও পরীক্ষা করা হয় এবং টাকার ভ্যালু নোট করে রাখা হয়। এছাড়া পাঞ্চ করা বাতিল টাকার মধ্যে ভুলক্রমে কোন ভাল টাকা গেল কিনা তা-ও পোড়ানোর আগে খতিয়ে দেখা হয়। তবে ছেঁড়া নোট বিনিময়ের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা রয়েছে। গ্রাহকের ছেঁড়া টাকা মেশিনের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। এক্ষেত্রে ছেঁড়া টাকার পরিমাণ ৫১ শতাংশ হলে গ্রাহক পাবে ৫০ শতাংশ, ৫১ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ হলে পাবে ৭৫ শতাংশ এবং ৭৬ শতাংশ থেকে ৯১ শতাংশ হলেও ৭৫ শতাংশ পাবে। এক্ষেত্রে গ্রাহক সরাসরি ব্যাংকে জমা দিয়ে নতুন টাকা নিতে পারবেন কিন্তু যদি ৯১ শতাংশ এক খণ্ডের হয় পুরো টাকাই পাওয়া যাবে। ৯১ শতাংশ ৩ খণ্ড হলে সরাসরি টাকা বিনিময় করতে পারবেন না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টারে ফরম পূরণ করে জমা দিলে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পরে নিতে হবে। যেভাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে নতুন টাকা সরবরাহ করা হয় ঠিক সেভাবেই পুরাতন ছেঁড়া, ফাটা, পোড়া, পোকায় খাওয়া ও জাল নোট বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যায়। এর পর এ টাকাগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েন ভল্টে রাখা হয়। সেখান থেকে বিডি শাখা টাকাগুলো পরীক্ষা করে ও ভ্যালু হিসাব রাখে। সেখান থেকে আবার সংশ্লিষ্ট বিভাগের কমিটিতে পাঠানো হয় এবং পরীক্ষা করা হয়- এ টাকার সঙ্গে কোন ভাল টাকা আছে কিনা। তার পর চুল্লিতে পোড়ানো হয়।