Showing posts with label ব্রাজিল বিশ্বকাপ. Show all posts
Showing posts with label ব্রাজিল বিশ্বকাপ. Show all posts
বিশ্বকাপের আনন্দে উদ্বেলিত পৃথিবীর সকল ফুটবলপ্রেমী। হাসি আনন্দ আর বেদনার সংমিশ্রনে ফুটবল উদযাপন করছে সবাই। এযেন হরেক জাতির সম্মিলনে এক দেশ। এরই মাঝে প্রিয়দলের জিতে যাওয়ায় যেমন আনন্দের ফুল্গুধারা বয়ে যায়, তেমনি দল হেরে গেলে চোখের পানিতে ভেসে যায় ভক্তদের চোখ। এবারের বিশ্বকাপ শুরু থেকেই অনেকগুলো অঘটনের জন্ম নিয়েছে। প্রথম রাউন্ড থেকে ইতোমধ্যেই ফেভারিট স্পেন এবং ইংল্যান্ড পাত্তারি গুটিয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ড আসতে আসতে হয়তো বিদায় নিতে হবে আরও কয়েকটি ফেভারিট দলকে। সেই শঙ্কায় দিন কাটছে ফুটবলপ্রেমীদের। বিশ্বকাপ শুরু থেকে এযাবৎ চলাকালীন খেলার বিভিন্ন সময়কার কিছু ছবি তুলে ধরা হলো বাংলামেইলের পাঠকদের জন্য।
জাপানি এক ফুটবল ভক্তের কান্ড

হেরে যাওয়ার পর কান্নারত এক ব্রিটিশ ভক্ত
যুক্তরাষ্ট্রের এক সুন্দরী নারী সমর্থক
ইতালির বিপক্ষে জিতে যাওয়ায় কান্নারত কোস্টারিকার ভক্তরা
জার্মান সমর্থক দলের উল্লাস
মেসির দ্বিতীয় গোল উদযাপন
ইকুয়েডর সমর্থকের হতাশা
স্পেনের বিরুদ্ধে চিলির জয়
মারে বস্তির সামনে ক্রীড়ারত ব্রাজিলিয়ান কিশোর
অস্ট্রেলিয়ার জালে চিলির গোল
ব্রাজিলের এক বয়স্ক সমর্থক
দ্রগবাকে ঘিরে জাপানি দুই খেলোয়াড়
প্রশিক্ষণ শিবিরে বসনিয়ার ফুটবলাররা
বিশ্বকাপ ফুটবলপ্রেমীরা
স্টেডিয়ামে যেতে না পারা এক বয়স্ক ব্রাজিলীয় সমর্থক
ব্রাজিলের আদিবাসী
ব্রাজিলে প্রতিবাদরত এক কর্মী
ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ভক্তরা
আর্জেন্টিনার পতাকার সাজে সজ্জিত তরুনীরা
ইরানের দলপতি জাবেদ নেকুওমান
কলম্বিয়ার ‘ক্রেজি’ দর্শক
মানাউসে সাম্বা
কোস্টারিকার ভক্ত তরুনী
মাছের চোখে মানাউসের স্টেডিয়াম
হরেক জাতির মিলন মেলা
বিশ্বকাপের সেরা ২৫টি ছবি

বিশ্বকাপে প্রিয় খেলোয়াড়ের পায়ের নৈপুণ্যই শুধুমাত্র ভক্তদের আকর্ষণের বিষয় নয়, একই সঙ্গে প্রিয় খেলোয়াড় কত নম্বর জার্সি গায়ে মাঠ মাতাবেন তাও জানতে আগ্রহী ফুটবলপ্রেমীরা। প্রিয় খেলোয়াড়ের জার্সি নম্বরযুক্ত টিশার্ট গায়ে চড়িয়ে খেলা দেখতে পছন্দ করেন অনেক ভক্ত। 

আর এ কারণে বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পরে ভক্তর‍া অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন কোন খেলোয়াড় কত নম্বর জার্সি গায়ে খেলবেন। অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত জার্সি নম্বর পেতে খেলোয়াড়দের মধ্যেও থাকে প্রতিযোগিতা। 

খোলোয়াড়ের জার্সি নম্বর দেখলেই বোঝা যায় খেলোয়াড়টি দলের মূল একাদশে রয়েছেন কি না। মূল একাদশের খেলোয়াড়েরা সাধারণত ১ থেকে ১১ নম্বর জার্সি গায়ে খেলেন। 

প্রতিটি দলের প্রধান গোলকিপার সাধারণত ১ নম্বর জার্সি গায়েই খেলে থাকেন, অন্যদিকে স্ট্রাইকার মাত্রই চাইবেন ৯ নম্বর জার্সি গায়ে তুলতে। আবার প্লে-মেকার মানেই যেন ১০ নম্বর জার্সির খেলোয়াড়। পেলে, ম্যারাডোনা সহ ফুটবল জাদুকরেরা ১০ নম্বর জার্সি গায়েই ভক্তকূলদের আনন্দে ভাসিয়েছেন। 

মঙ্গবাল ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়দের জার্সি নম্বর ঘোষণা করেছে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন। গত বিশ্বকাপে ১ নম্বর জার্সি নিয়ে খেললেও এবার অভিজ্ঞ গোলকিপার জুলিয়াস সিজারকে গায়ে তুলতে হচ্ছে ১২ নম্বর জার্সি। সিজার প্রিয় ১ নম্বর জার্সিটা হারিয়েছেন বোটাফোগোর গোলরক্ষক জেফারসনের কাছে। আর নেইমার চিরাচরিত ১০ নম্বর জার্সিই পেয়েছেন। ক্লাসিক্যাল ৯ নম্বর পেয়েছেন স্ট্রাইকার ফ্রেড। 

ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রধান কোচ লুইস ফেলিপে স্কোলারি জার্সির নম্বর ঘোষণার পরে বলেছন, খেলোয়াড়েরা প্রত্যেকে তাদের প্রাপ্ত জার্সি নম্বরে খুশি হয়েছে।

জার্সি নম্বরে ব্রাজিল দল:
জেফারসন: ১, ড্যানি আলভেস: ২, থিয়াগো সিলভা: ৩, ডেভিড লইজ: ৪, ফারনান্দিনহো: ৫, মার্সেলো: ৬, হাল্ক: ৭, পলিনহো: ৮, ফ্রেড: ৯, নেইমার: ১০, অস্কার: ১১, জুলিও সিজার: ১২, দান্তে: ১৩, ম্যাক্সওয়েল: ১৪, হেনরিকে: ১৫, রামিরেস: ১৬, লুইজ গুস্তাভো: ১৭, হার্নানেস: ১৮ উইলিয়ান: ১৯, বারনার্ড: ২০, জো: ২১, ভিক্টর: ২২, মাইকন: ২৩। 
ব্রাজিল বিশ্বকাপে ২০১৪ -এ বাংলাদেশের আয় ৫০ কোটি ডলার !
ব্রাজিল বিশ্বকাপে ২০১৪ -এ বাংলাদেশের আয় ৫০ কোটি ডলার ! 
বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আসর জমতে আর মাত্র ক’দিন বাকি। সুদূর ব্রাজিলে খেলাটি হলেও লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে না বাংলাদেশ।বিশ্বকাপের আনন্দের জোয়ারে ভাসবে বাংলাদেশ। কেবল পতাকা উড়িয়ে প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেই নয়, এই টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশ আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিভিন্ন দেশের জার্সি বানিয়ে অন্তত ৫০ কোটি ডলার আয় করেছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান মোহাম্মদ হাতেম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, বিশ্বকাপের জার্সি রপ্তানিতে চলতি বছর তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ১৪ শতাংশ হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রায় ১০০টি কারখানা বিশ্বকাপ ফ্যানদের জার্সি তৈরি করছেন। বিশ্বকাপ-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য ঠিক কত হচ্ছে তা হয়তো বলা যাচ্ছে না। তবে এই পরিমাণ ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি ডলার হতে পারে।

হাতেম বলেন, চলতি মাসে শেষ হওয়া অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি রেকর্ড ২৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। গত বছরের তুলনায় তা ৩০০ কোটি ডলার বেশি। এর একটা বড় অংশই এসেছে বিশ্বকাপ বাণিজ্য থেকে।তিনি জানান, বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে পুমা ও অ্যাডিডাসের মতো বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রতিষ্ঠানের পোশাক তৈরি হয়। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৩২টি দেশের প্রায় সবগুলোর ফ্যানদের জন্য জার্সি তৈরি করা হয়েছে।

চীনের পর বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। এ খাত থেকে দেশের ৮০ ভাগ বার্ষিক রপ্তানি হয়ে থাকে। এ শিল্পে নিয়োজিত আছেন ৪০ লাখের বেশি লোক।

হাতেম বলেন, আমার কারখানাতেই কেবল জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালের মতো দেশের আড়াই লাখ জার্সি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের অন্য একটি কারখানায় ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও চিলির মতো দেশের জার্সি তৈরির জন্য পুমার কাছ থেকে ৩০ কোটি ডলারের অর্ডার পেয়েছে। অনেক কারখানায় বিভিন্ন দেশের ক্যাপ ও পতাকাও তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।